বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ রচিত হয়েছিলো ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সময়।

এই গানের মূল কথা ছিলো সংযুক্ত বাংলার কথা বলা। বাংলাভাগের বিরুদ্ধে যুক্ত বাংলাকে মাতৃরূপে উপস্থাপন করা। ১৯৪৭ এ কবিগুরু বেঁচে থাকলে এই বিভক্ত বাংলা দেখে কি করতেন তা যদিও বলা যাচ্ছে না।

তা যাই হোক, স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হওয়ার পথে ছিলো ডি এল রায় এর ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা, আমাদেরই বসুন্ধরা’ কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠে নি।

আমাদের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতারা হয়তো একসময় দুই বাংলার পুর্মিলনের স্বপ্ন দেখছিলেন এই জন্যেই দুই বাংলার মিলনের জন্য লিখা সর্বাধিক প্রচলিত গানটিকেই জাতীয় সংগীত বানিয়েছিলেন, পতাকা থেকে পূর্ব বাংলার মানচিত্রও বাদ দিয়েছিলেন, পূর্ব বাংলা নাম না দিয়ে বাংলাদেশ (কৈশলগতভাবে বাংলাদেশ শুধু পূর্ব বাংলা বুঝায় না সমগ্র বঙ্গভূমিকে বুঝায়) নাম দিয়েছিলেন। ভাগ্য ভালো আমাদের, যে পশ্চিম বাংলা বা ভারত এর বিরোধিতা করে নি।

উত্তর মেসিডোনিয়া যখন নিজেদেরকে মেসিডোনিয়া ঘোষণা দিয়েছিলো তখন কিন্তু গ্রীস আর গ্রীসের প্রদেশ মেসিডোনিয়া এর বিরোধিতা করেছিলো এবং উত্তর মেসিডোনিয়াকে ইইউ তে ঢুকতে দেয় নাই নাম পরিবর্তন করার আগ পর্যন্ত। আলেক্সান্ডারের দেশ মেসিডোনিয়াও স্বপ্ন দেখতো দুই মেসিডোনিয়া এক হওয়ার কিন্তু গ্রীস কোনো চান্সই রাখে নাই ওইখানে।

ইহা একখানা সাফকাতীয় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব