ফ্রান্স যখন ইজিপ্ট দখল করে নেয় 1799 এ , এই পাথরটা তারা একটা পিরামিড এর কাছ থেকে পায় একটা সার্ভে করতে গিয়ে। ফ্রান্স আবার ব্রিটেন এর কাছে হারলে এই পাথর ব্রিটিশ মিউজিয়ামে আসে।

বিশ্বের অনেক বড় লিংগুয়েস্টিক রিসার্চারা চেষ্টা করেছে হায়রোগ্লিফের উদ্ধার করতে । কিন্তু ভালভাবে কেউ পারে নি।

ব্রিটিশ পিরিয়ডে Jean-Francois Champollion প্রথম মোটামুটি সম্পূর্ণভাবে উনি ফেরাউনদের ভাষা ডিকোড করেন।

উনি খেয়াল করেন এই পাথরে রাজা টলেমি ৫ এর একটা ডিক্রি তিনটা ভাষায় লিখা আছে। হায়রোগ্লিফ(অফিসিয়াল), হায়রোগ্লিফ (লোকাল) এবং এনসিয়েন্ট গ্রিক । যেহেতু গ্রিক ভাষা তখনো সবাই জানে তাই দুইটা কম্পেয়ার করে হায়রোগ্লিফ উদ্ধার হয়।

এরপর আসলে পিরামিড এর সব লেখাই সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে যায়।

পিরামিড এর দেয়ালে দেয়ালে রাজারা তাদের রাজ্য জয়, প্রজাদের কথা, সংস্কৃতি, তাদের গৌরবগাথা সব লিখে রাখছে।

লেখকঃ মোহাম্মদ কাওসার
রিসার্চার, ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা