অতীতের মতো কখনো হাঁটবো সমুদ্রের তীরে,
আমার পিঠে সকল বোঝা নিয়ে।
তুমি হাঁটো, দৌড়াও, ঝাপ দাও ওই উদ্দাম জলে
আমি শুধু দেখি, আমি দেখবো সাগরের ঢেউগুলো-
ঢেউগুলো তোমার পায়ে এসে কিভাবে আছড়ে ভেঙে পরে।
আমি ঈর্ষা করি সেই ঢেউকে!
অতীতের মতো কখনো বসবো আঙিনায়,
এক হাতে জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে।
অলস বিকেলে তুমি পরিশ্রান্ত বদনে কবিতা আওড়াও
আমি শুধু দেখি, আমি দেখবো গোধূলির আলো –
আলো এসে তোমার মুখে স্পর্শ করে।
আমি ঈর্ষা করি সেই আলোকে!
অতীতের মতো কখনো পশুবাগে ঘুড়বো,
দেশালে বাজবে বাঁশি ঘাসের উপর বসে।
তুমি একে একে কাটিয়ে যাবে সকল খাঁচা
আমি অবাক বিশ্ময়ে দেখবো, তোমার বাড়ানো হাতে-
হাতে এসে প্রজাপতি বসে পরম বিশ্বাসে।
আমি ঈর্ষা করি সেই প্রজাপতিকে!
অতীতের মতো কখনো মেঘনায় ভাসবো,
মাস্তুলে হেলান দিয়ে থাকবো অসহায় আমি।
তুমি শিশুর মতো হেসে ঘুড়বে পুরো জাহাজ
অবোধ গবেটের ন্যায় দেখবো, তোমার মিশে যাওয়া-
তোমার মিশে যাওয়া জাহাজের সঙ্গে, নাবিকের সঙ্গে
নাবিক চিত্র আঁকে তোমার।
আমি ঈর্ষা করি সেই জাহাজকে, সেই নাবিক কে!
তুমি সমূদ্রের, তুমি গোধূলির, তুমি প্রজাপতির,
তুমি জাহাজের, তুমি নাবিকের, তুমি সবার।
আমি সবাইকে ঈর্ষা করি।
