তোমার আলোভরা রাত্রি,
আমি অন্ধকারের যাত্রী।
সতশ্চল সোঁপানে তোমার নিত্য চলাফেরা
অধোগামী সোঁপান আমার আজি আঁধারে ঘেরা।
চলমান সভ্যতার মম নর্দমার কীট,
কৃষ্ণবিবরে খুজে বেড়ানো সর্বশেষ আলোক প্রদীপ।
ফেলে আসা অযুত নীহারিকা, নিযুত গ্রহাণু –
যেনো যোনীর অন্ধকারে সাঁতরে বেরানো শুক্রাণু।
কাঁঠালীচাঁপা রঙের সদ্য কিশোরীর বাহুসম আকাশগঙ্গা-
শনি ঘেরা বলয়সম কেশদাম ঘোর কৃষ্ণরাঙা।
শিকারির মতো শরপণে বসে থাকা কালপুরুষ নিরঙ্কুশ ধনুরাশি,
ত্রৈঞ্চমিথুন, মীন, কর্কট, বৃশ্চিক বৃথা কালভৈরবী তব মন্ডলের সপ্তর্ষী।
রক্তাক্ত বাহুডোরে হারিয়ে যাওয়া কোন এক নভোযাত্রী –
হে অভিযাত্রী –
তব শবের মাঝে আসুক মানবতার মুক্তি
মমত্যাগই যেনো হয় শেষ ত্যাগ,
বিরুধিত প্রাণের আবেগ,
শোক হোক তব শক্তি ।
তোমার আলোভরা রাত্রি । ।
২৭/০৪/১৫
