কত নগর কত শহর কত যুগ পেরিয়ে খুঁজে গেছি এক ফোঁটা শান্তির পরশ,
কোন এক নারীর ছোঁয়ায় তার আঁচলের দোলায় ভালোবাসার প্রকাশ।
হাবাশা থেকে আন্দালুসিয়া, খার্তুম থেকে আরামানিয়া, কোথায় খুঁজিনি তাকে?
নীলের তীর হতে কঙ্গো হয়ে ভিক্টোরিয়া হ্রদের পাশ থেকে –
দজলা ফোরাত শাত-ইল-আরাব হয়ে সিন্ধু ইরাবতী রাভীর তীর ঘেষে –
ভলগা রাইন সীন কিংবা মিসিসিপি মিসৌরি পটোম্যাক পাশে,
আমাজান অববাহিকায় সাও পাওলো, রিও, ব্রাসিলিয়া শেষে –
পাইনিকো তার সেই নিঃছল ছল আঁখিভরা ক্রন্দনজল!
ভালোবাসার একটু পরশ, ঝড়ে পরা সেই ফল!
উত্তর মেরু হতে দক্ষিন মেরু চেষে ফেলেছি তার পরশের আশ্বাসে,
হারিয়েছি তাকে সময়েরও আগে পুনর্জয়ের বিশ্বাসে।
মায়াকাড়া আয়ত সেই গভীর নীল চোখ, হলদে রাঙা তনু,
আনিতম্ব স্বর্ণকেশদাম, উন্নত বক্ষ, উচ্চ গ্রীবা সুমাননীয় হনু!
পাটীময় দন্ত মুক্তো বিকশিত, গজদান্তিক শোভা –
পদযুগল পদ্মগুল্ম উজ্জ্বল হরিৎ আভা!
আবেগের উচ্ছ্বাস, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, হারানোর দীর্ঘশ্বাস –
রাজকন্যা সে, হারানো কোন দেবপুত্রী,
এথেনিক, সেমেটিক দেবীবর তব ফারাও রাণী –
বিলাশ বিকাশ মৃত্তিকা মুর্ত স্বর্গীয় শুত্রী বানী।।।।
